...|...|...

রাজধানী

ঢাকার বাতাস আজ অস্বাস্থ্যকর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:০৫ | আপডেট: ৩ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৮:২৮
Shares
ঢাকার বাতাস আজ অস্বাস্থ্যকর

রাজধানী ঢাকার বায়ু আজ অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ১৭৪। এই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

একই সময়ে ১৭৭ একিউআই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ছিল ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ১৭৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর। ভারতের দিল্লি ১৬৭ স্কোর নিয়ে চতুর্থ এবং কলকাতা ১৬১ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে ছিল।

আইকিউএয়ার নিয়মিত বিভিন্ন শহরের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করে এবং একিউআই সূচকের মাধ্যমে বাতাসের দূষণের মাত্রা ও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ হলে বাতাসের মান ‘ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত ‘মাঝারি’ বা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০ পর্যন্ত স্কোর সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি স্কোরকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণে বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও২), কার্বন মনোক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও২) এবং ওজোন (ও৩) এই পাঁচ ধরনের দূষণকারী উপাদান বিবেচনা করা হয়।

২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান তিনটি উৎস হিসেবে ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণকাজের ধুলাকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

বায়ুদূষণ সব বয়সী মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ ব্যক্তি ও অন্তঃসত্ত্বাদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি গুরুতর হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের সঙ্গে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে।