বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষক হিসেবে ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএআইসিও)-এ যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা এবং এর নেতৃত্ব দিচ্ছে চীন।
শনিবার (১ আগস্ট) এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা ফেসবুকে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংস্থাটির প্রকাশিত উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে- উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গভীরকরণ; বৈশ্বিকভাবে ডিজিটাল বিভক্তি কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রসার; বৈশ্বিক এআইয়ে অগ্রগতির ক্ষেত্রে উন্মুক্ত, নিরপেক্ষ ও বৈষম্যমুক্ত পরিবেশকে সমর্থন এবং নতুন ও ক্রমবিকাশমান এই প্রযুক্তি যেন মানুষের জন্য উপকারী ও নিরাপদ থাকতে পারে, সে লক্ষ্য নিয়ে এআই রেগুলেশন তৈরির কাজ এগিয়ে নেওয়া।
চীনের বাণিজ্য নগরী সাংহাইতে সদরদফতর করে ১৬ জুলাই আন্তঃসরকার এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাথমিকভাবে ২৯ দেশকে সদস্য করে বিশ্ব এআই সম্মেলনের উচ্চ পর্যায়ের একটি সভায় এই জোটের ঘোষণা দেয় চীন।
চীনের সাথে এই জোটে প্রাথমিক সদস্যদের মধ্যে রাশিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগালসহ আরও কিছু দেশ রয়েছে।
ওই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি তৈরি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়েই তিনি বলেছেন, কোনো ‘একক দেশের’ এই প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে না। এআইয়ের উন্নয়ন কোনো দেশের একক পরিবেশনা নয়, বরং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ঐকতান হওয়া উচিত।


