...|...|...

সারাদেশ

কে কোথা থেকে কত পার্সেন্ট নেয়, আমি জানি: সারের লাইসেন্স নিয়ে এমপি বাবু

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৯:৫০
Shares
কে কোথা থেকে কত পার্সেন্ট নেয়, আমি জানি: সারের লাইসেন্স নিয়ে এমপি বাবু

সারের লাইসেন্স নিয়ে এমপি বাবুর ফেসবুক পোস্ট। ছবি: নিজস্ব

সারের লাইসেন্স বিতরণে অনৈতিক লেনদেন এবং আওয়ামী লীগের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাব না পাওয়া পর্যন্ত ঈশ্বরগঞ্জে তার মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সারের লাইসেন্স নিতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ তোলেন সংসদ সদস্য।

ফেসবুক পোস্টে এমপি বাবু দাবি করেন, সারের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তি তাকে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে তিনি সেসব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ঈশ্বরগঞ্জে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা নেননি এবং ভবিষ্যতেও নেবেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সরিষা ইউনিয়নে সারের লাইসেন্স বিতরণের প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, নিজ দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে ফ্যাসিবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং অর্থের বিনিময়ে সুবিধা নিতে আগ্রহীদের লাইসেন্স দেওয়া হলে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সততা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পোস্টে এমপি বাবু দাবি করেন, সারের লাইসেন্স বিতরণে কারা কত শতাংশ অর্থ নিচ্ছেন, সে বিষয়ে তিনি অবগত। এ বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক জবাব না পাওয়া পর্যন্ত ঈশ্বরগঞ্জে তার মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সারের লাইসেন্স নিতে দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য আরও বলেন, তার দলের নেতাকর্মীরা মামলা-হামলার শিকার হবেন, আর অর্থের বিনিময়ে অন্যদের সারের লাইসেন্স দেওয়া হবে-এটি মেনে নেওয়া হবে না। নিজেদের অর্থায়নে থানার জন্য গাড়ি দেওয়ার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। একই সাথে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে প্রশাসনের জবাবদিহি ও শুদ্ধি অভিযান চালানোর দাবি জানান এমপি বাবু। তিনি মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক নেতাদের শুদ্ধি অভিযানের আগে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ চালানো প্রয়োজন।