...|...|...

বিশ্ব

ইউরোপজুড়ে একাধিক ফ্লাইটে ফের বোমা হামলার হুমকি

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৫৪
Shares
ইউরোপজুড়ে একাধিক ফ্লাইটে ফের বোমা হামলার হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে একের পর এক বোমা হামলার হুমকির ঘটনায় ফের ব্যাহত হয়েছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট। চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো এমন নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ল ইউরোপের আকাশসীমা।

পুনরায় এই হুমকি পাওয়ার পর কয়েকটি উড়োজাহাজকে বিকল্প বিমানবন্দর কিংবা সামরিক ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে। কোনো কোনো উড়োজাহাজকে আকাশে পাহারা দিয়ে নিয়ে গেছে যুদ্ধবিমান। তবে এখন পর্যন্ত কোনো উড়োজাহাজে বিস্ফোরক পাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

যেসব ফ্লাইটে হুমকি
চেক প্রজাতন্ত্রের পুলিশ জানিয়েছে, প্রাগগামী চারটি ফ্লাইটে বোমা হামলার হুমকি পাওয়া যায়। তল্লাশিতে কোনো বিস্ফোরকের উপস্থিতি মেলেনি। হুমকি পাওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ছিল গ্রিসের থেসালোনিকি থেকে ইতালির মিলানগামী এজিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ, পর্তুগালের পোর্তো থেকে মিলানগামী রায়ানএয়ারের ফ্লাইট, আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন থেকে রোমগামী অ্যার লিঙ্গাসের উড়োজাহাজ এবং ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি থেকে রোমগামী ফিনএয়ারের ফ্লাইট। এর মধ্যে অ্যার লিঙ্গাসের ফ্লাইটটিকে ফ্রান্সের এভরু সামরিক বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এছাড়া মিলান থেকে বুখারেস্টগামী উইজ এয়ার এবং ওয়ারশগামী আরেকটি ফ্লাইটকে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় সরিয়ে নেওয়া হয়। পোল্যান্ডের ওয়ারশ থেকে ব্রাসেলসগামী এবং ডেনমার্ক ও স্পেন থেকে সোফিয়াগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও নির্ধারিত গন্তব্যের বাইরে বিকল্প বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় হুমকি
এর আগে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অন্তত সাতটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে বোমা হামলার হুমকির পর তল্লাশি চালানো হয়। রোম, ওয়ারশ, সোফিয়া ও স্পেনের মুরসিয়ায় অবতরণের পর বিমানগুলো পরীক্ষা করা হলেও সেগুলোতেও কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবারের হুমকি পাওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে দুটি যুক্তরাজ্য (হিথ্রো ও ম্যানচেস্টার) থেকে ছেড়েছিল। তবে গত মঙ্গলবার ও আজকের (৫ নভেম্বর) ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাজ্য সরকার পুরো ঘটনাগুলোকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের পরীক্ষিত নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির সরকার।