আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের গণকবাড়ি ও ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ডিইপিজেড) এলাকায় ফুটপাত দখল ও সীমানাপ্রাচীরসংলগ্ন স্থানে বসাকে কেন্দ্র করে হকার ও আনসার সদস্যদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
সংঘর্ষের প্রতিবাদে হকাররা মহাসড়কে কাঠ ও আসবাবপত্র ফেলে দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিইপিজেডের পুরোনো জোনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দুপুর পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এর আগে একাধিকবার ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
রোববার সকালে ডিইপিজেডের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ও মহাসড়কের পাশে হকাররা পুনরায় বসতে গেলে আনসার সদস্যরা তাদের বাধা দেন। হকাররা অন্তত ৮ থেকে ১০ ফুট জায়গা ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানালেও ইপিজেড কর্তৃপক্ষ তা মানতে অস্বীকৃতি জানায়।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হকাররা কাঠ ও আসবাবপত্র ফেলে ডিইপিজেড থেকে বলিভদ্র বাজার পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় লেনে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে আনসার সদস্য ও হকারদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
পরে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও ডিইপিজেডের স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এবং আলোচনার আশ্বাসে হকাররা সড়ক থেকে সরে দাঁড়ালে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে আনসার ও হকারদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ ও প্রশাসনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
বর্তমানে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে। এদিকে, এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।


