দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে পুলিশের হাতে আটক হওয়া জনপ্রিয় ইউটিউবার ও অ্যাক্টিভিস্ট ধ্রুব রাঠী গভীর রাতে মুক্তি পেয়েছেন। তবে মুক্তির পর বিস্ফোরক মন্তব্য করে তিনি দাবি করেছেন, তাকে কোনো নিয়মমাফিক আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি, বরং ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল।
পুলিশের একজন কর্মকর্তার বরাত জানা গেছে, গত শনিবার সকালে হরিয়ানার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর নিজ বাসা থেকে ধ্রুব রাঠীকে আটক করা হয়েছিল। ভোটার তালিকা সংশোধন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে সিজেপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছিল দিল্লি পুলিশ।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিনি যদি আবার যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তাকে আবারও আটক করা হতে পারে কিংবা তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
বাসায় ফিরে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ধ্রুব রাঠী বলেন, আমাকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি, আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল। আপনাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, পুরো ঘটনাটি এই রকম।
রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক দল ‘সিজেপি’-র একটি এক্স পোস্টে দাবি করা হয়, গত শনিবার সকাল ৮টার দিকে প্রায় ৫০ জন সাদা পোশাকধারী পুলিশকর্মী ধ্রুব রাঠীর বাড়িতে এসে তাকে তুলে নিয়ে যান। কংগ্রেস সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীর সমর্থক এবং এনডিএ সরকারের কড়া সমালোচকদের একজন হিসেবে পরিচিত ধ্রুব রাঠী।
এর আগে, সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকেও সকালে প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের অধীনে নেওয়া হয়েছিল, যাদের পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর মুক্তি দেওয়া হয়।


