...|...|...

খেলা

আট বছরের খরা কাটিয়ে সাব্বিরের শতক, জাতীয় দলে ফেরার বার্তা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৩৩
Shares
আট বছরের খরা কাটিয়ে সাব্বিরের শতক, জাতীয় দলে ফেরার বার্তা

সাব্বির রহমান। ছবি: সংগৃহীত

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেঞ্চুরি করেছেন সাব্বির রহমান। মিরপুরে ২২১ বলে ১১৩ রানের ইনিংস খেলে রাজশাহীকে হার থেকে বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তবে এই পারফরম্যান্সের পর জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মিরপুরে রাজশাহী ও খুলনার মধ্যকার ম্যাচের শেষ দিনে সাব্বিরের ব্যাটে আসে এই শতক। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি, যা পেতে খেলতে হয়েছে ৮৪তম ম্যাচ। সবশেষ ২০১৮ সালের জুনে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১৬৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।

ম্যাচের শুরুটা রাজশাহীর জন্য মোটেও স্বস্তির ছিল না। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৯ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর শেষ দিনে তারা ব্যাট করতে নামে ৩ উইকেটে ৩০০ রান নিয়ে। সেখান থেকে অধিনায়ক প্রিতম কুমার ও সাব্বির রহমান দলের ইনিংস এগিয়ে নেন। প্রিতম ৪৪ রান করে ফিরলেও এক প্রান্তে অবিচল ছিলেন সাব্বির।

দলীয় ৪৭৪ রানে নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হন সাব্বির। তার ২২১ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও একটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৫০০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা না করেই ম্যাচ ড্র মেনে নেয় রাজশাহী ও খুলনা। বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পরও ম্যাচ বাঁচানোর ক্ষেত্রে সাব্বিরের ইনিংসই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে কক্সবাজারে চট্টগ্রাম ও বরিশালের ম্যাচের চিত্র ছিল ভিন্ন। চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসে করা ৫৭৬ রানের জবাবে বরিশাল ২৮২ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ে। শেষ দিন দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে খেলা শুরু করে তারা। প্রথম সেশনে রাফসান আল মাহমুদ ও মঈনুল ইসলামের ব্যাটিংয়ে হার এড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। মধ্যাহ্নবিরতিতে বরিশালের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২২৬ রান।

তবে বিরতির পর সেই লড়াই আর ধরে রাখতে পারেনি বরিশাল। রাফসান ৭২ এবং মঈনুল ৪১ রান করে আউট হন। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে ২৯৩ রানে গুটিয়ে যায় দলটি। ফলে ইনিংস ও ১ রানের ব্যবধানে জয় পায় চট্টগ্রাম। বরিশাল আর মাত্র এক রান করতে পারলে চট্টগ্রামকে আবার ব্যাট করতে হতো।

চট্টগ্রামের জয়ে বল হাতে বড় অবদান রাখেন বাঁহাতি স্পিনার আশরাফুল হাসান রোহান। ৭৭ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। আরেক বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ২ উইকেট নিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন।