জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মান ক্লাবটি। কিন্তু মাইকেল অলিসের লাল কার্ডে ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। একজন কম নিয়ে খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেষ মুহূর্তে গোল করে বায়ার্নের জয় ছিনিয়ে নেয় নরওয়ের ক্লাব ভাইকিং। শেষ পর্যন্ত ৩-৩ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাতে ভাইকিংয়ের মাঠে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। শুরুতেই দুই গোল করে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে হ্যারি কেইনের জোড়া গোল ও লুইস দিয়াজের গোলে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বায়ার্ন। শেষ দিকে অলিসের লাল কার্ডের পর ম্যাচে ফেরে ভাইকিং এবং শেষ মিনিটে সমতাসূচক গোল পায় তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ভাইকিং। মাত্র ৭২ সেকেন্ডের মাথায় কর্নার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গিয়ানি স্টেননেস। এরপর ৩৮ মিনিটে পিটার ক্রিশ্চিয়ানসেনের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় বায়ার্নকে।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে জার্মান জায়ান্টরা। বক্সের মধ্যে কনরাড লাইমার ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান কমান হ্যারি কেইন। ৬০ মিনিটে জশুয়া কিমিখের ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ইংলিশ স্ট্রাইকার।
সমতায় ফেরার পরও আক্রমণ অব্যাহত রাখে বায়ার্ন। কেইনের দারুণ চিপ থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে গোল করেন লুইস দিয়াজ। তাতে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জোরালো করে জার্মান ক্লাবটি।
তবে ম্যাচের শেষ দিকে নিজের ভুলে দলকে বিপদে ফেলেন অলিস। ফাউলের কারণে হলুদ কার্ড দেখার পর ভাইকিং অধিনায়ক জ্লাতকো ত্রিপিচের দিকে বল ছুড়ে মারেন ফরাসি উইঙ্গার। রেফারি ঘটনাটি দেখার পর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে তাকে মাঠ থেকে বের করে দেন। ফলে ম্যাচের শেষ ১৬ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বায়ার্নকে।
সংখ্যায় এগিয়ে থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেষ দিকে চাপ বাড়ায় ভাইকিং। ম্যাচের শেষ মিনিটে হারমান হাউগেন গোল করে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান। এতে নিশ্চিত জয়ের খুব কাছে গিয়েও পয়েন্ট হারাতে হয় বায়ার্নকে। অন্যদিকে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ৩-৩ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ের ক্লাবটি।


