একবার ঘোষণা দিয়েও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ থেকে পিছু হটতে হয়েছিল। তাই এবার নতুন ঘোষণার পর প্রশ্ন উঠেছে-সত্যিই কি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে কক্সবাজার?
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। স্বপ্ন ছিল, কক্সবাজার থেকে সরাসরি বিদেশে উড়বে বিমান। একই সাথে বিদেশি পর্যটকরাও সরাসরি নামবেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহরে।
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে কক্সবাজারবাসীর অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সক্ষমতা বাড়াতে সাগরের বুক ছুঁয়ে রানওয়ে সম্প্রসারণ করে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের টার্মিনালও।
সম্প্রতি নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু করা হবে। এমন ঘোষণার পর কক্সবাজারের মানুষের মধ্যে আবারও আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে সবচেয়ে বড় সুবিধা পাবেন পর্যটক ও প্রবাসীরা। ঢাকায় ট্রানজিটের ঝামেলা এড়িয়ে সরাসরি কক্সবাজারে পৌঁছানো যাবে। এর প্রভাব শুধু পর্যটন খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতের পাশাপাশি স্থানীয় বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানেরও ব্যাপক প্রসার ঘটবে।
এদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনার সব সক্ষমতা নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর পরিচালক গোলাম মোর্তুজা হোসাইন।
তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। অক্টোবরে উদ্বোধন হলেও প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইটটি আসবে কোথা থেকে? কোন দেশের সাথে কক্সবাজারের প্রথম আন্তর্জাতিক আকাশপথ যুক্ত হবে? আর কোন এয়ারলাইন্স পরিচালনা করবে সেই ফ্লাইট? এসব বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানানো হয়নি।


