...|...|...

আইন ও আদালত

‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত মতিউরের দুর্নীতির বিচার শুরু

টাইমস টুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:০৯ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৪:০১
Shares
‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত মতিউরের দুর্নীতির বিচার শুরু

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।

সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর অভিযোগ গঠনের এ আদেশ দেন।

আদালত আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম।

এর আগে গত ২১ জুলাই মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারিত ছিল। তবে বিচারক ছুটিতে থাকায় সেদিন কোনো আদেশ না দিয়ে ৩ আগস্ট নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।

সেদিন কারাগার থেকে মতিউর রহমানকে আদালত প্রাঙ্গণে আনা হলেও বিচারকের অনুপস্থিতির কারণে তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। পরে হাজতখানায় রাখা শেষে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ এবং দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ‎কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান।

‎এরপর আলোচনা চলে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এসব নিয়ে। এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পরে ওই বছরের ৪ জুন মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানের নামে দুদক। অনুসন্ধানে মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পায় দুদক। মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবার হিসাব ও শেয়ারবাজারের বিও হিসাব ক্রোক করা হয়।