সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। একই সঙ্গে সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা রাস তানুরা শোধনাগারেও হামলার দাবি করেছে সংগঠনটি। তবে এসব হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হুথি বাহিনীর দাবি, রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে। তবে হামলার লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, সৌদি আরবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা রাস তানুরায়ও হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় সেখানে আগুন জ্বলে ওঠার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিকট শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন এবং তাদের মুঠোফোনে জরুরি সতর্কবার্তা এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একটি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় তেল উৎপাদন বা সরবরাহব্যবস্থায় কোনো প্রভাব পড়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। এর আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ আকাশে হুথিদের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার কথা জানিয়েছিল।
এদিকে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই কূটনৈতিক তৎপরতার খবর সামনে এসেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, হুথিদের হামলা বন্ধে ইরানের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব এক বিলিয়ন ডলারের আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ইরান সফরের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আর্থিক প্রস্তাব ও মধ্যস্থতার বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কূটনৈতিক উদ্যোগের খবরের মধ্যেই নতুন হামলার দাবি সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি


