...|...|...

সারাদেশ

সীমান্তে বিএসএফের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নিয়ে বিজিবির প্রতিবাদ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩৬
Shares
সীমান্তে বিএসএফের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ নিয়ে বিজিবির প্রতিবাদ

ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম করে বাংলাদেশী শ্রমিকদের ওপর বিএসএফের চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় স্থানীয়রা লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিরোধ করলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৩৭-এর উপপিলার ৪ নম্বরসংলগ্ন সানিয়াজান নদীর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন (তিস্তা-২)-এর সহকারী পরিচালক (এডি-অবস) কারিমুল ইসলাম।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের এক পাশে বাংলাদেশের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল এবং অন্য পাশে ভারতের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার চ্যাংড়াবান্ধার বিএস বাড়ী সীমান্ত এলাকা। শনিবার বিকেলে সানিয়াজান নদীতে কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে পাথর ও বালু উত্তোলন করছিলেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সময় ভারতের ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বিএস বাড়ী ক্যাম্পের ১০ থেকে ১২ জন সদস্য নদীতে নেমে শ্রমিকদের কাজে বাধা দেন এবং তাদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। শ্রমিকদের চিৎকারে আশপাশের ১৫ থেকে ২০ জন বাসিন্দা লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে বিএসএফ সদস্যদের প্রতিরোধ করেন।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে দ্রুত নদী পার হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যান বলে দাবি স্থানীয়দের।

খবর পেয়ে বুড়িমারী কোম্পানি সদরের বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে রাতে ওই সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সংক্ষিপ্ত পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সীমান্ত অতিক্রম ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগে বিএসএফের কাছে প্রতিবাদ জানায় বিজিবি। তবে বিএসএফ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রংপুর ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক কারিমুল ইসলাম বলেন, ‘পাথর তোলার সময় বিএসএফ বাধা দিয়েছে। এ সময় ঢিল ছোড়ার ঘটনা ঘটলে বিএসএফের সাথে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়েছে ভয় দেখানোর জন্য। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমরা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে প্রটেস্ট নোট (প্রতিবাদপত্র) দিয়েছি।’