...|...|...

রাজশাহী

সংকটের মাঝেই আশা দেখাচ্ছে উত্তরবঙ্গের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৪২ | আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৩২
Shares
সংকটের মাঝেই আশা দেখাচ্ছে উত্তরবঙ্গের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র

সংকটের মাঝেই আশা দেখাচ্ছে উত্তরবঙ্গের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র। ছবি: সংগৃহীত

পাবনার সাঁথিয়ার পাগলা ও সুজানগরের মোবারকপুর এলাকায় গ্যাসের সম্ভাবনা ঘিরে নতুন করে আশাবাদী জ্বালানি খাত। অনুসন্ধানে সফলতা এলে এখান থেকে দৈনিক প্রায় ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা চলতে পারে প্রায় ২০ বছর।

এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সাঁথিয়ার পাগলা কূপের পাশাপাশি সুজানগরের মোবারকপুরে দ্বিতীয় কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। এরই অংশ হিসেবে ৬ কিলোমিটারের বেশি গভীরতায় কূপ খননের প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে পাগলা গ্রামের কূপ খননের পর পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়নি। এবার মোবারকপুরে নতুন কূপ খননের উদ্যোগে আবারও জেগে উঠেছে সম্ভাবনা।

বাপেক্স কর্মকর্তারা জানান, একাধিক ভূকম্পন জরিপে মোবারকপুর এলাকায় গ্যাসের সম্ভাবনার ইতিবাচক তথ্য পাওয়া গেছে। সফল হলে এটি উত্তরবঙ্গের প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাসক্ষেত্র হতে পারে।

বর্তমানে সুজানগরের আহমেদপুর ইউনিয়নের কুড়িপাড়া গ্রামে অধিগ্রহণ করা ৬ একর জমিতে প্রকল্পের উন্নয়নকাজ চলছে। ২০২৮ সালের মাঝামাঝি মূল খননকাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ২০১৪ সালে একই এলাকায় ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার গভীরতায় কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে অতিরিক্ত গ্যাসের চাপ ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির অভাবে সে কার্যক্রম স্থগিত হয়। এবার উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও গভীরে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মোবারকপুর ডিপ-১ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ১৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এর মধ্যে মোবারকপুর ডিপ-১ কূপ খননে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুয়ানচিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড কাজ করবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সালের শেষ দিকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হতে পারে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন পাবনার সাঁথিয়া ও সুজানগরের মানুষ।