...|...|...

খেলা

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬ এর জমকালো সমাপনী

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩৭ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩১
Shares
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬ এর জমকালো সমাপনী

রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে বিশ্বের ১৪৪ নম্বর র‍্যাঙ্কিং মিশরের জিয়াদ ইব্রাহিম এবং বিশ্বের ১৬৪ নম্বর র‍্যাঙ্কিং শ্রীলঙ্কার রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। 

এর মাধ্যমেই পর্দা নামলো উপমহাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ টুনামেন্ট "বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬-এর। 
গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া পাঁচ দিনের এই মেগা টুর্নামেন্টে বিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াররা শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের চরম উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে চমৎকার পারফর্ম করে জিয়াদ ইব্রাহিম রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীকে  ৩-০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। 

মেজর জেনারেল মু হাসান-উজ-জামান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এম ফিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইনচীফ প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিপি (অবসর প্রাপ্ত) ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক কর্নেল মহাসিনুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় এবং সাংবাদিকবৃন্দ।
 
শুরুতে " স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি" প্রদান করা হয়। তারপর এ বছর মাধ্যমিকে কৃতি স্কোয়াশ খেলোয়াড় সন্মাননা এবং ক্ষুদে স্কোয়াশ খেলোয়াড়দের ক্রীড়া সামগ্রী দেয়া হয়।
 
পুরস্কার বিতরনীর মূল পর্বে পুরস্কার ও প্রাইজ মানি দেয়া হয়। প্রথমে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় তরুন প্রতিভা পারভেজ করিম। তারপর যথাক্রমে দ্বিতীয় রানার্সআপ মিশরের মোহাম্মদ গহর (বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং ৯৫), প্রথম রানার্সআপ ইরানের সেফের এতেমাদপুর (বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং ৫৬৬), রানার্সআপ রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী এবং চ্যাম্পিয়ন জিয়াদ ইব্রাহিমকে পুরস্কৃত করা হয়।
 
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, 'ক্লাসরুম স্কোয়াশ', খেলাধুলা ও নেতৃত্বের বিকাশ, 'স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি' ইত্যাদির মতো বৈপ্লবিক চিন্তা-চেতনা আর ধারাবাহিক কর্মসূচির সুফল আজ দৃশ্যমান। এই আন্তর্জাতিক ইভেন্ট শুধু দেশের খেলোয়াড়দের র‍্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতা বাড়ায়নি, বরং বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় 'স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন' হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে।

গত পাঁচ বছরে মৃতপ্রায় স্কোয়াশ অনেক উন্নতি করেছে এবং ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে পদক লাভ করা শুরু করেছে। স্কোয়াশ ২০৩২ সালের অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করতে চায়। তাই আগামীতে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সবার যৌথ প্রয়াসে স্কোয়াশকে আরও সামনে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসরের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।