...|...|...

অর্থনীতি

বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল ফের চালু, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:২২ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৩৮
Shares
বন্ধ এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল ফের চালু, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ

ছবি: সংগৃহীত

এলএনজি সরবরাহ সংকটে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল আবারও চালু হয়েছে। স্পট মার্কেট থেকে কেনা ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) একটি এলএনজিবাহী কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই পৌঁছানোর পর টার্মিনালে গ্যাস খালাসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহও বাড়তে শুরু করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, কার্গোর সংকটে প্রায় তিন দিন আগে এক্সিলারেটের টার্মিনালে থাকা এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। এরপর ওই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ে।

এর আগে পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, এক্সিলারেটের টার্মিনালের জন্য পরবর্তী এলএনজি কার্গো রোববার আসার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কার্গো পৌঁছানোয় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট) মো. শোয়েব জানান, কার্গো পৌঁছানোর পর এলএনজি খালাস এবং তা গ্যাসে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগে। তাই কার্গো আসার সাথে সাথেই টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরবে না।

এদিকে সামিটের এলএনজি টার্মিনালের জন্য আনা আরেকটি কার্গো বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌঁছেছে। এতে ওই টার্মিনালে এলএনজির মজুত বেড়েছে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামিটের টার্মিনাল বর্তমানে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দৈনিক প্রায় ৫৭ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। ফলে নতুন কার্গো এলেও তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত সরবরাহ বাড়ানোর সুযোগ নেই।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সব মিলিয়ে মোট সরবরাহ দাঁড়ায় ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট।

এর আগের দিন একই সময়ে এলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ এক দিনে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে ৮০ লাখ ঘনফুট।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সেই হিসাবে সরবরাহ হয়েছে চাহিদার প্রায় ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ। এখনও ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট।

দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট। তবে বৃহস্পতিবার ওই সক্ষমতার তুলনায় সরবরাহ ছিল প্রায় ৫২ শতাংশ।