কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা মামলায় গ্রেফতার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমনকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের সাথে থাকা মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সুমন ছাড়াও অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সুমনকে কুমিল্লায় আনা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেফতারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে কুমিল্লায় নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল তদন্তে কাজ করছে।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, তাজমিনের মৃত্যুর পর থেকে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে নজরদারি চালানো হচ্ছে। সুমন যাদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেছেন, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলমান থাকায় ওই কর্মকর্তা নিজের নাম প্রকাশ করতে চাননি।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সুমনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানখেত থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার সাথে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।


