কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় বক্তব্য দিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত। হামলার সময় তার এক ছোট ভাই ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং পাটওয়ারীকে মারধর করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা সরকারি কলেজে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উত্তম-মধ্যম দেওয়া হয়েছে। আমি জোর গলায় বলতে পারি, আমারই এক ছোট ভাই সেখানে ছিল। সে (পাটওয়ারী) বেয়াদব, তাকে মারার প্রয়োজন ছিল বলেই তাকে মেরেছে।
তিনি আরও বলেন, তাকে জনসাধারণও মেরেছে, সেখানকার দোকানদাররাও মেরেছে। তার মুখের ভাষার কারণেই এমনটা হয়েছে।
এনসিপির নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে কখনো উজ্জ্বল নক্ষত্র হতে পারবে না। বরং ইতিহাসে তারা ‘কীটপতঙ্গ’ হিসেবে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।
আমলা সরকারি কলেজে ‘বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবনী এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কী ও কর্মক্ষেত্রে এর ভূমিকা’ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আমলা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আলম চাঁদের সভাপতিত্বে এবং ইস্তিয়ার আহমেদ রাফির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহা. আব্দুল লতিফ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান, আমলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মামুনুর রশীদ সিদ্দিকী এবং মো. নাহিদুল ইসলাম সোহান।
আলোচনা সভা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


