...|...|...

ধর্ম

দর্শনার্থী বেড়েছে মক্কার ঐতিহাসিক স্থানে

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:০৫
Shares
দর্শনার্থী বেড়েছে মক্কার ঐতিহাসিক স্থানে

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র নগরী মক্কার ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি দর্শনার্থীবান্ধব করতে ঐতিহাসিক স্থানগুলো ঢেলে সাজানোর বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। ইসলামের ইতিহাস ও মহানবী (সা.)-এর জীবনের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন প্রাচীন পথ, বাজার, কূপ এবং শিলালিপিসমৃদ্ধ স্থান সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রকল্পের আওতায় কেবল প্রাচীন স্থাপনা সংস্কারই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বিস্তারিত গবেষণা চালানো হচ্ছে।

এ পরিকল্পনা শুরুর পর এখন পর্যন্ত ৬৫টি উন্নয়নমূলক গবেষণা সম্পন্ন এবং ৫৬টি ঐতিহাসিক স্থান নথিবদ্ধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৮টি স্থান দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার পাশাপাশি ৭টি নতুন দর্শনার্থী কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। গবেষণার অন্তর্ভুক্ত স্থানগুলোর মধ্যে পবিত্র কাবার গিলাফ তৈরির ঐতিহাসিক পথ, আসিলাহ এলাকার শিলালিপি ও কূপ, প্রাচীন জি মাজাজ বাজার, হেরা গুহা এবং নহরে জুবাইদা উল্লেখযোগ্য।

নিরাপত্তার স্বার্থে জাবালে নূর ও জাবাল সাওর পাহাড়ের আশপাশে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া দর্শনার্থীদের তথ্য সহজ করতে ‘হারামাইন স্থাপনা জাদুঘর’ চালুর পাশাপাশি ‘মাজার’ অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল ভ্রমণপথ নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে।

প্রকল্পটির সুবাদে মক্কায় দর্শনার্থীদের সমাগম ব্যাপক বেড়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে প্রায় ৫৯ লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের (৩৬ লাখ) তুলনায় প্রায় ৪৭ শতাংশ বেশি। মক্কার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরাই এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।