...|...|...

সারাদেশ

ডেপুটি স্পিকারের সাথে পুরোহিতদের সাক্ষাৎ

ডেপুটি স্পিকারের সাথে পুরোহিতদের সাক্ষাৎ

Times Today
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ভোর রাত ৫:৫৫ | আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৬, রাত ১১:৪৫
Shares
ডেপুটি স্পিকারের সাথে পুরোহিতদের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের (এমপি) সাথে তার নির্বাচনি এলাকার ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।  সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার ১২ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

তিনি বলেন, তার নির্বাচনি এলাকায় বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান রয়েছে।  এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যেন জাতীয় সংসদ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা অর্জন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সবাইকে সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং সংসদ অধিবেশন অবলোকনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আজ ব্রাহ্মণ পুরোহিত প্রতিনিধিদল এসেছেন।  এর আগে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদল, ইমাম প্রতিনিধিদল, হাজং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদল এবং দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসেছিলেন।  তার লক্ষ্য হলো, এলাকার সব পেশা ও সম্প্রদায়ের মানুষ যেন সংসদ সম্পর্কে জানতে পারে।

এ সময় ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের বীরেশ্বর চক্রবর্তী, মিন্টু ভাদুরী, অপরেশ চক্রবর্তী, গৌতম চক্রবর্তী, বিমল চৌধুরী, উৎপল শর্মা, রতন শর্মা, সুজয় শর্মা, মানিক চক্রবর্তী, কেশব লাল চক্রবর্তী, সজয় চক্রবর্তী এবং সমরেশ চক্রবর্তী সংসদ ভবনে আসার সুযোগ করে দেওয়ায় এবং দুর্গাপুরের সন্তান হিসেবে ডেপুটি স্পিকার নিযুক্ত হওয়ায় তার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় হিসেবে তারা অনেক সময় অবহেলার শিকার হন।  তবে ডেপুটি স্পিকারের সহযোগিতায় দুর্গাপুরের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করে তারা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান।  তারা ডেপুটি স্পিকারকে ‘রাজা’ সম্বোধন করে গীতা পাঠ করেন এবং ঈশ্বরের কাছে তার মঙ্গল কামনা করেন।  পাশাপাশি তাকে একটি উত্তরণী উপহার প্রদান করেন এবং পূজামণ্ডপ সংস্কার, পুরোহিত ভাতা চালু ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এলাকার মন্দিরের জন্য বরাদ্দ প্রদানে কোনো অবহেলা করা হবে না।  ব্রাহ্মণ পুরোহিত সম্প্রদায়ের কল্যাণে যা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করা হবে।  মসজিদ, মন্দির ও গির্জার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উন্মুক্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সবার পরিচয় আমরা মানুষ, আমাদের রক্ত সবারই লাল।  কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে খ্রিস্টান, কে বৌদ্ধ- সবাই আমরা বাংলাদেশি।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে রাষ্ট্রীয় সেবা দলীয়ভাবে দেখা হলেও তিনি ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দলমত নির্বিশেষে সবার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

তিনি যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে পড়ালেখা, খেলাধুলা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।