প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ডিজিটাল সেবা তৈরির শুরু থেকেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সব নাগরিকের প্রয়োজন বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ‘উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে জাবি ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০০ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও তরুণ উদ্ভাবক অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে বিশেষজ্ঞদের মধ্য থেকে মতামত দেন এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন। এ সময় সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান এবং এটুআইয়ের হেড অব ইনোভেশন মো. নাহিদ আলম উপস্থিত ছিলেন ও কর্মশালা পরিচালনা করেন এটুআইয়ের অ্যাক্সেসিবিলিটি কনসালটেন্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য ও ইনোভেশন কনসালটেন্ট তৌফিকুর রহমান।
প্রশিক্ষণে ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি, মানবকেন্দ্রিক ও সর্বজনীন নকশা, সহায়ক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক অ্যাক্সেসিবিলিটি মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও ডিজিটাল কনটেন্টের প্রবেশগম্যতা যাচাইয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা, উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা এবং উদ্যোক্তা তৈরির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। ‘সমস্যার সমাধানে উদ্ভাবন ও সকলের জন্য উদ্ভাবন’ স্লোগানে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আয়োজকেরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই তরুণ প্রকৌশলী ও উদ্ভাবকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক চিন্তাভাবনা গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতের ডিজিটাল পণ্য ও সেবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সব নাগরিকের জন্য আরও ব্যবহারবান্ধব করা সম্ভব হবে। একই সাথে এ ধরনের উদ্যোগ অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্র সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


