গোপন ভিডিও ফাঁস বা অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি ছড়ানো বাংলাদেশের আইনে মারাত্মক অপরাধ। এর জন্য সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং দণ্ডবিধির অধীনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
তাৎক্ষণিক ও পরবর্তী করণীয় হিসেবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
প্রাথমিক প্রমাণ সংরক্ষণ: অভিযুক্ত ব্যক্তির মেসেজ, চ্যাট স্ক্রিনশট, কল রেকর্ড এবং ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বা ছবির লিংক সুরক্ষিত রাখুন। কোনোভাবেই আতঙ্কিত হয়ে অপরাধীদের টাকা বা অনৈতিক সুবিধা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
দ্রুত আইনি অভিযোগ দায়ের: কাছের থানায় গিয়ে বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিস্তারিত জানান। সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে। এ ছাড়া তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা অনলাইন পোর্টালে প্রমাণসহ অভিযোগ দেওয়া যায়।
প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিও অপসারণ:যে সোশ্যাল মিডিয়া বা ওয়েবসাইটে (যেমন- ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব) ভিডিওটি ছড়িয়েছে, সেই প্ল্যাটফর্মের ‘Report Abuse/Report Harassment’ অপশন ব্যবহার করে ভিডিওটি দ্রুত ব্লক বা ডিলিট করার আবেদন করুন।
প্রযোজ্য আইনি ধারা: সাইবার নিরাপত্তা আইন: অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ বা বিকৃত করে প্রচার করার কারণে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অপরাধ প্রমাণিত হলে, অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।

