খুলনা মহানগরের দৌলতপুর থানার পাশে দিনেদুপুরে জলিল নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে যশোর-খুলনা মহাসড়কের কুলিবাগান আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জলিল ওই এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সকালে মহাসড়কের কুলিবাগান আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জলিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক সেখানে আসে। মোটরসাইকেল থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে দুটি গুলি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। একটি গুলি বুকের ডান পাশের ওপরের দিকে এবং অন্যটি বাম পাশে লাগে।
গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে জলিলকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার সময় থানার একটি সিভিল টিম ঘটনাস্থলের কাছেই ছিল। গুলির ঘটনার পর তারা দুর্বৃত্তদের ধাওয়া দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা দুজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পুলিশের ধাওয়ার সময় রাসেল নামে আরেকজন মোটরসাইকেলে উঠতে পারেননি। পরে তাকে ধাওয়া করা হলে তিনি পাশের একটি বস্তিতে ঢুকে পড়েন। পুলিশ সেখানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পায়নি।
পুলিশ জানায়, প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগে রাসেল অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিনে বের হয়ে তিনি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত চলছে।


