...|...|...

বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নয়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ট্রাম্প

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০৭
Shares
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নয়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা যদি তার ওপর বিরক্ত বা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন, তবে তিনি ইসরায়েলে পাড়ি জমাবেন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী পদে বসবেন—এমন এক মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিন জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সরাসরি সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন তিনি।

টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে কথা বলার সময় নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলে আমার জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ যদি কখনও আমার ওপর বিরক্ত হয়ে যায়, তবে আমি সোজা ইসরায়েলে চলে যাব এবং সেখানকার প্রধানমন্ত্রী হয়ে দায়িত্ব নেব।

তবে কেবল হালকা রসিকতাই নয়, একই সাক্ষাৎকারে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আনেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প জানান, ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে তার একটি চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে, যার অধীনে চলতি ২০২৬ সালের পর থেকে ওয়াশিংটন আর ইসরায়েলকে বার্ষিক ৪ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দেবে না।

ট্রাম্পের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ইসরায়েল বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচ্ছল ও সফল একটি দেশ। তাই তাদের আর এই মার্কিন আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন নেই। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডেমোক্র্যাট ও বামপন্থি রাজনীতিবিদেরা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলকে এই বিপুল পরিমাণ তহবিল দেওয়ার বিষয়টি সামনে এনে রিপাবলিকানদের আক্রমণ ও সমালোচনার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছিলেন।

হিসাব পরিষ্কার করে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলকে অর্থ সহায়তা বন্ধের বিষয়ে নেতানিয়াহু ও আমি একমত হয়েছি। আমরা ইসরায়েলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলার নগদ, সামরিক সরঞ্জাম বা বার্টার হিসেবে দিয়ে আসছিলাম। কয়েক মাস আগেই এই সহায়তা পুরোপুরি থামিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আমাদের কথা হয়।

তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সম্মত হয়েছি যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে এই তহবিল আর দেওয়া হবে না। তবে পরম মিত্র হিসেবে ভবিষ্যতে কোনো সংকটকালে যদি কখনও সত্যিই ইসরায়েলের সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে, তবে যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চয়ই তাদের পাশে দাঁড়াবে।