...|...|...

তথ্যপ্রযুক্তি

ইন্টারনেট দিবস কেন ২৩ আগস্ট, জানুন ইতিহাস

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১১ | আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:২৮
Shares
ইন্টারনেট দিবস কেন ২৩ আগস্ট, জানুন ইতিহাস

ছবি : সংগৃহীত

আজ আধুনিক বিশ্ব যে ডিজিটাল নেটওয়ার্কে বন্দী, সেই ইন্টারনেটের সূচনা হয়েছিল অনেকটা নীরবেই। আজ থেকে ৩৫ বছর আগে, ১৯৯১ সালের ২৩ আগস্ট বিশ্বজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হয় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। এ কারনেই এই দিনটি ইন্টারনেট দিবস হিসেবে পালিত হয়।

১৯৯১ সালের ২৩ আগস্ট ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউরোপীয় পরমাণু গবেষণা সংস্থা (CERN) থেকে তার তৈরি ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করেন। এ কারণেই ২৩ আগস্টকে ইন্টারনেট দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়।

বার্নার্স-লি ১৯৮৯ সালের ১২ মার্চ ওয়েবের ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন। তার লক্ষ্য ছিল ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন নথি সংরক্ষণ, তথ্য আদান-প্রদান এবং একই সাথে বিভিন্ন জায়গা থেকে সেগুলোতে কাজ করার সুযোগ তৈরি করা। পরবর্তী সময়ে এই ধারণাই বদলে দেয় বিশ্বব্যাপী তথ্য ব্যবহারের পদ্ধতি।

প্রথম ওয়েবসাইট

ওয়েব তৈরির পর বার্নার্স-লির হাত ধরেই তৈরি হয় প্রথম ওয়েবসাইট। সেটি ছিল মূলত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কী এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে তথ্যভিত্তিক একটি সাইট। আজও প্রথম ওয়েবসাইটটির ঠিকানা চালু রয়েছে-info.cern.ch। ১৯৯৩ সালে CERN ওয়েব প্রযুক্তি সবার জন্য বিনা মূল্যে উন্মুক্ত করে দেয়। এরপর দ্রুত ওয়েব ব্রাউজার, সার্চ ইঞ্জিন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশ ঘটে।

প্রথম ওয়েব ব্রাউজার

বার্নার্স-লি তৈরি করেছিলেন বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার, যার নামও ছিল ‘WorldWideWeb’। এটি নেক্সটস্টেপ অপারেটিং সিস্টেমে চলত। বর্তমানের ক্রোম, সাফারি বা অন্যান্য ব্রাউজারের মতো আধুনিক সুবিধা এতে ছিল না। তবু অনলাইন জগতের বিকাশে এর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথম সার্চ ইঞ্জিন

গুগল আসার অনেক আগেই ১৯৯০ সালে ‘আর্চি’ নামে একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেন কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অ্যালান এমটেজ। এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেমে ফাইল খোঁজার কাজে ব্যবহৃত হতো।

প্রথম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

১৯৯৭ সালে চালু হওয়া ‘সিক্সডিগ্রিস ডটকম’কে প্রথম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখানে ব্যবহারকারীরা নিজের নামে প্রোফাইল তৈরি, বন্ধু যুক্ত করা এবং অনলাইন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ পান। পরবর্তী সময়ে ফ্রেন্ডস্টার, মাইস্পেস ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মের বিকাশে এ ধরনের ধারণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।