সব বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও পেশাগত পরিচয়ের কারণে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক ওমরাহ যাত্রীকে ইমিগ্রেশন না করে ফেরত পাঠানোর অভিযোগ ওঠেছে। পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ওই যুবককে বিমানবন্দরে অপদসস্ত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠে।
তিন দিন আগের এই ঘটনা ঘটলেও শুক্রবার (২১ জুন) থেকে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর নানা সমালোচনা শুরু হয়।
বিষয়টির ব্যাখ্যা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট লিখেছেন সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।
তবে, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দাবি, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপমুখী অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে নেওয়া বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম সুমন আহমদ। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে। গত ১৯ আগস্ট ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব যাওয়ার জন্য ওসমানী বিমানবন্দরে যান তিনি।
সুমনের অভিযোগ, অটোরিকশাচালক হওয়ায় বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে নানাভাবে অপমান করে এবং পাসপোর্টে ক্ষতিকর সিল মারার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
তিনি জানান, একজন আমেরিকা প্রবাসী তাকে ওমরাহ করার ব্যয়ভার বহন করেছেন। বর্তমানে তিনি এ ঘটনায় অনেকটা মানসিক আঘাত পেয়েছেন।
সুমনের এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যাখ্যা দাবি করে অনেকে ফেসবুকে পোস্ট করেন। 'সিএনজি অটোরিকশা চালক হওয়ায় ওমরাহ করতে দেওয়া হয়নি সুমনকে’-এমন বিষয় উল্লেখ করে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন। কেউ কেউ আবার সুমনের বক্তব্য প্রকাশ করেন। বিষয়টি নজরে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ চৌধুরী।


