যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পরদিন অর্থাৎ আগামী ৪ নভেম্বরের মধ্যেই ইরানে নতুন করে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় মিত্রদেশগুলোকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘এমএসনাউ’-এর বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।
প্রশাসন ও সামরিক আলোচনার বিষয়ে জানাশোনা রয়েছে এমন তিনজন জ্যেষ্ঠ উপসাগরীয় আরব কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্ভাব্য এই মার্কিন হামলা স্বল্পস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত জোরালো ও তীব্র হতে পারে। তবে ইরান যদি পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে—এমন আশঙ্কায় পরিস্থিতির উত্তেজনা প্রশমনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার জন্য জোরালো চাপ সৃষ্টি করছে উপসাগরীয় দেশগুলো।
একজন শীর্ষ কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, হামলা চালানোর জন্য যদি কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকার করে, তবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ইরানে নতুন করে আর কোনো বড় ধরনের সামরিক হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তাছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো নতুন সামরিক অভিযান না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
পরিকল্পিত এই সামরিক অভিযানের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এমএসনাউ-কে জানান, সংবেদনশীল সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে কি হবে না—এ ধরনের বিষয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করি না। তবে তিনি যোগ করেন, ইরান যাতে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভাব্য সব বিকল্পই উন্মুক্ত রাখছেন।


