...|...|...

বিশ্ব

আরও একটি মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন নামিয়ে নিল ইরান

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৭:১৮ | আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৭:৩১
Shares
আরও একটি মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন নামিয়ে নিল ইরান

মার্কিন MQM-170 ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত

ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা তড়িৎ যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি গোয়েন্দা ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দেশটির কেশম দ্বীপের আকাশে মার্কিন MQM-170 মডেলের ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ভূপাতিত করার পর নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ ও তাসনিমের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোনটি আটক করা হয়। বাহিনীটির দাবি, ড্রোনটি অক্ষত অবস্থায় তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একই ধরনের ড্রোন আটকের এটি দ্বিতীয় ঘটনা বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) হরমুজ প্রণালির পশ্চিম অংশে আরেকটি মার্কিন MQM-170 ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিরাপদে অবতরণ করানোর কথা জানিয়েছিল আইআরজিসির নৌবাহিনী। ওই ড্রোনটি ইরানের উপসাগরীয় উপকূল ও হরমুজ প্রণালির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শনাক্ত করার কাজে নিয়োজিত ছিল বলে দাবি করা হয়।

ইরানের দাবি, প্রথম ড্রোনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ড্রোনটির তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, এটি পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলবর্তী একটি দেশ থেকে উড্ডয়ন করেছিল। তবে দেশটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

তবে প্রথম ড্রোন আটকের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স ইরানের বক্তব্যকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছেন। ফলে ড্রোন দুটি আটকের দাবি এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, MQM-170 ‘আউটল’ যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিফন অ্যারোস্পেসের তৈরি একটি চালকবিহীন বিমান। এটি মূলত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং শত্রুপক্ষের উড়োজাহাজের অনুকরণে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি। তবে বিশেষ কনফিগারেশনে এটি বিভিন্ন ধরনের সেন্সর ও সরঞ্জাম বহন করতে পারে।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পরপর দুটি ড্রোন আটকের দাবি সামনে এল। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হওয়ায় এই অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা ও আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের বিরোধ আন্তর্জাতিক নজর কেড়েছে।