...|...|...

ধর্ম

হজে যেতে ভিসার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:১১
Shares
হজে যেতে ভিসার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের হজের ভিসা পেতে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে মেডিকেল ফিটনেস সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে সৌদি আরব। ভিসা দেওয়ার আগে প্রত্যেক হজযাত্রীর স্বাস্থ্যগত সক্ষমতা যাচাই করা হবে।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হেলথ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। হজ ভিসার অন্যতম শর্ত হিসেবে এই সনদ বিবেচিত হবে। সৌদি আরবে প্রবেশের সময়ও এটি যাচাই করা হতে পারে।

হজের সময় প্রচণ্ড গরম, দীর্ঘক্ষণ হাঁটা ও বিপুল মানুষের ভিড়ের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে হজ পালনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এমন গুরুতর অসুস্থতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। কোনো কোনো দেশে পরীক্ষা দুই ধাপে নেওয়া হতে পারে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় ডায়ালাইসিসনির্ভর কিডনি রোগ, গুরুতর হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসের রোগ, গুরুতর স্নায়বিক বা মানসিক সমস্যা, ডিমেনশিয়া, ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এবং সক্রিয় ক্যানসারকে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সংক্রামক রোগ, যেমন সক্রিয় ফুসফুসের যক্ষ্মা থাকলেও হজ পালনে অযোগ্য বিবেচিত হতে পারেন।

হজযাত্রীকে নিজের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও প্রয়োজনীয় চলাফেরা করার মতো শারীরিক সক্ষমতা থাকতে হবে। সামান্য সহায়তার জন্য লাঠি ব্যবহার করা গেলেও পুরোপুরি হুইলচেয়ার বা স্কুটারের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত অনুমতি দেওয়া হবে না।

স্বাস্থ্য সনদের পাশাপাশি মেনিনজাইটিসের কোয়াড্রিভ্যালেন্ট টিকাসহ সৌদি কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত অন্যান্য টিকা নেওয়ার শর্তও বহাল থাকবে। দেশভেদে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সনদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশের হজ কমিটি এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা জানাবে।