...|...|...

সারাদেশ

সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের শিকার প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, রাত ৮:৫৬ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:৫৩
Shares
সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের শিকার প্রতি ১০ জনে ৭ কিশোরী

ছবি : সংগৃহীত

​নবম শ্রেণীতে পড়ার সময় মা কাজের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। সাতক্ষীরা শহরের বাড়িতে একা হয়ে পড়া মেয়েটির ওপর তখন পরিবারের কার্যকর কোনো নজরদারি ছিল না। সেই সুযোগে স্থানীয় এক যুবকের সাথে প্রেমে জড়িয়ে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে।

কিন্তু স্বপ্নের সেই সংসার অল্প দিনেই রূপ নেয় দুঃস্বপ্নে। বিয়ের কয়েক মাস পার হতেই কিশোরী বধূ জানতে পারেন তার স্বামী একজন পেশাদার জুয়াড়ি। পাওনাদারদের চাপ, পারিবারিক কলহ আর স্বামীর অমানবিক শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের মুখে একপর্যায়ে টিকতে না পেরে সে বাপের বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। চরম মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়েই সে পুনরায় পড়াশোনা শুরু করে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সে ‘এ-মাইনাস’ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। তার মতে, বৈবাহিক অশান্তি ও মানসিক নির্যাতন না থাকলে তার ফল অনায়াসেই ‘জিপিএ-৫’ হতে পারত। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাল্যবিবাহের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে পেছনে ফেলে এই তরুণী এখন আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিবাহ বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, যাতে নতুন করে নিজের জীবন পুনর্গঠন করতে পারেন।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বলেন, ‘আমি তখন নবম শ্রেণিতে পড়তাম। বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই বিয়ে হয়ে যায়। শুরুতে মনে হয়েছিল সব ঠিক থাকবে, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সংসারে সমস্যা শুরু হয়। পরে জানতে পারি, আমার স্বামী নিয়মিত জুয়া খেলত এবং বিভিন্ন ঋণের মধ্যে ছিল। এসব কারণে আমাদের সংসারে অশান্তি বাড়তে থাকে। শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকতে হয়েছে। একপর্যায়ে আমি আর থাকতে পারিনি। পরে পরিবারের কাছে ফিরে আসি। এখন আবার পড়াশোনা শুরু করেছি। আমার ইচ্ছা, আমি পড়াশোনা শেষ করে নিজের মতো করে জীবন গড়ে তুলব।’

​সাতক্ষীরা শহরের এই কিশোরী একা নয়, বরং সাতক্ষীরাজুড়ে আইনি ফাঁকফোকর, সামাজিক অবক্ষয় ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে শতশত কিশোরীর জীবন এভাবে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। জেলার উপকূলীয় ও প্রান্তিক এলাকাগুলোতে এই সংকট আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্যামনগর উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামের কলবাড়ি নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রী ও পার্শ্ববর্তী ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়।

​স্থানীয়রা জানান, কিছুদিন আগে এই কিশোর-কিশোরী এক সাথে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ও ইউপি সদস্যদের মধ্যস্থতায় তখন উভয় পরিবারকে এক ছাদের নিচে এনে একটি সামাজিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উভয় পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে লিখিত অঙ্গীকারনামা দেওয়া হয় যে, ছেলে ও মেয়ে-কারোরই বয়স পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিয়ে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই লিখিত অঙ্গীকারনামাকে তোয়াক্কা না করে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী দ্বারা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করিয়ে ১৫ ও ১৬ বছরের দুই নাবালক-নাবালিকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করেন। বর্তমানে তারা একই বাড়িতে অবস্থান করছে। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের চরম উদাসীনতা ও সরাসরি নজরদারির অভাবেই আদালত প্রাঙ্গণকে ব্যবহার করে এমন একটি স্পষ্ট বেআইনি কাজ সম্পাদন করা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে, ​এই ঘটনার খবর ছড়ালেও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সরকারি দফতর গুলোর দায়সারা ভূমিকা নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। 

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, ‘ঘটনাটি আমার কানে এসেছে এবং আমি প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে অবগত। কিন্তু আমাদেরও আইনি ও দাপ্তরিক কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মহিলা বিষয়ক কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাহায্য না চাইলে পুলিশ তো একা উদ্যোগ নিয়ে সরাসরি কোনো বাড়িতে গিয়ে অভিযান চালাতে বা কাউকে আটক করতে পারে না। তাদের পক্ষ থেকে সহায়তা পেলেই কেবল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে।'

​অন্যদিকে, শ্যামনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক বলেন, 'ঘটনাটি জানার পর আমরা বিষয়টিকে মোটেও হালকাভাবে নিইনি। ঘটনাটি পাওয়ার পরপরই আমরা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ছেলের বাবাকে আমাদের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য অফিশিয়াল নোটিশ পাঠোনো হয়েছে। তিনি উপস্থিত হলে আমরা আইনি ও সামাজিক ব্যবস্থা নেব।' 

তবে ছেলের বাবা রফিকুল ইসলামের দাবি, ছেলে-মেয়ে দুজনই নিজের ইচ্ছায় একসাথে থাকতে চেয়েছে। আমরা পরিস্থিতি বিবেচনা করে সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছি। এফিডেভিটের মাধ্যমে যা করা হয়েছে, তা আমরা সঠিক বলেই মনে করি।' তবে বিয়ের সময় ছেলে ও মেয়ের বয়স আইনি সীমার নিচে ছিল-এ বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো'র তথ্যানুযায়ী, সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের বর্তমান গড় হার দাঁড়িয়েছে আশঙ্কাজনক ৭২ শতাংশে। এটি দেশের যেকোনো জেলার তুলনায় অন্যতম সর্বোচ্চ। ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিচারে পুরো জেলার মধ্যে শ্যামনগর উপজেলায় বাল্যবিবাহের হার ও প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। 

​উপকূলীয় এই অঞ্চলে বাল্যবিবাহের পেছনে কেবল দারিদ্র্য বা অসচেতনতাই একমাত্র কারণ নয়; বরং এর পেছনে জড়িয়ে আছে এখানকার ভৌগোলিক পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর প্রভাব। উপকূলীয় এই অঞ্চলগুলোতে সুপেয় পানির তীব্র সংকট এবং অতিরিক্ত লবণাক্ততা মানবজীবনে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ দৈনন্দিন কাজের জন্য এবং জীবনজীবিকার তাগিদে দীর্ঘ সময় নোনা পানিতে কাজ করতে বাধ্য হন। অভিভাবকদের মধ্যে এক গভীর সামাজিক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে যে, নোনা পানিতে নিয়মিত যাতায়াত ও কাজ করার কারণে কম বয়সেই মেয়েদের শরীরের ত্বক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য মলিন হয়ে পড়ছে এবং তারা দ্রুত বয়সের তুলনায় বয়স্ক দেখাচ্ছে। ফলে একটু বয়স বাড়লেই আর ভালো পাত্র পাওয়া যাবে না-এই বিশ্বাস ও সামাজিক ভীতির কারণে বাবা-মায়েরা তড়িঘড়ি করে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

​জলবায়ু সংকট ও ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার সবচেয়ে বড় শিকার সাতক্ষীরার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা। চারদিকে নদী পরিবেষ্টিত এই দ্বীপের সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি অত্যন্ত করুণ।

গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি হেলেনা বিলকিস বলেন, 'আমাদের ক্লিনিকে নিয়মিত যেসকল গর্ভবতী নারী স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ নিতে আসেন, তাদের একটি বড় একটি অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী। প্রতিদিন যখন ১৫ থেকে ১৭ বছরের গর্ভবতী মেয়েরা ক্লিনিকে আসে, তাদের দৈহিক দুর্বলতা দেখে শিউরে উঠতে হয়। এই অল্প বয়সে একটি শিশুর জন্ম দেওয়ার মতো শারীরিক ও মানসিক পরিপক্বতা তাদের থাকে না। উপরন্তু, অতিরিক্ত লবণাক্ত পরিবেশের কারণে এসব কিশোরী মেয়েদের তীব্র রক্তচাপ, এপিলেপসি, রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টিতে ভোগার হার অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে অনেক বেশি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গাবুরা থেকে মূল ভূখণ্ডে আসার কোনো উন্নত সড়ক বা জরুরি স্পিডবোট অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা নেই। রাতে প্রসূতিদের জটিলতা দেখা দিলে বা জরুরি সিজারিয়ানের প্রয়োজন হলে নদী পার হয়ে জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথেই অনেক প্রসূতি ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে আমাদের চোখের সামনেই প্রতি বছর অকাল গর্ভধারণের শিকার মা ও নবজাতকের প্রাণহানি ঘটছে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসেন বলেন, 'বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে ১৮ বছরের নিচে মেয়ে এবং ২১ বছরের নিচে ছেলের বিবাহ সম্পূর্ণভাবে বেআইনি, নিষিদ্ধ ও চরম শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু সাতক্ষীরায় যা ঘটছে তা আইনি ব্যবস্থার ওপর এক মারাত্মক আঘাত। অভিযোগ বা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে জজ কোর্টের কিছু অসাধু নোটারি পাবলিক ও মুহুরি জালিয়াতি চক্র টাকার বিনিময়ে ভূয়া বয়স দেখিয়ে এফিডেভিট বানিয়ে দিচ্ছে। ১৮৭২ সালের বিশেষ বিবাহ আইন কিংবা বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের কোথাও নোটারি পাবলিককে বিয়ে দেওয়া বা বয়স নির্ধারণের কোনো আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়নি। এফিডেভিট দিয়ে বাল্যবিবাহ বৈধ করার কোনো দূরতম আইনি সুযোগ নেই। অনেকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর ১৯ ধারা বা 'বিশেষ বিধানের' কথা বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করেন। ১৯ ধারায় সুনির্দিষ্ট ও অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতিতে বিধি দ্বারা নির্ধারিত ‘কোন বিশেষ প্রেক্ষাপটে’ অপ্রাপ্তবয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে, আদালতের নির্দেশ এবং বাবা-মা/অভিভাবকের সম্মতিতে, বিধি নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিয়ে হলে সেটি আইনের অধীনে অপরাধ হবে না কিন্তু এই ১৯ ধারার বিধান প্রয়োগ করার একমাত্র এখতিয়ার বিজ্ঞ বিচারকের, কোনো নোটারি পাবলিকের নয়। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৯, ১১ ও ১২ ধারা অনুযায়ী তথ্য গোপন করে নোটারি করা, এফিডেভিট বানিয়ে বিয়ে দেওয়া এবং এসব কাজে প্ররোচনা দেওয়া অপরাধ। এই জালিয়াতি বন্ধে জেলা জজ ও বার অ্যাসোসিয়েশনের তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা দরকার।'

​দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরায় মানবাধিকার ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা মানবাধিকার কর্মী মাধব দত্ত এই পরিস্থিতিকে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার চরম নৈতিক ও সামাজিক দেউলিয়াত্ব হিসেবে দেখছেন। ৭২ শতাংশ বাল্যবিবাহ কোনো সাধারণ সংখ্যা না-এটা মাঠের বাস্তবতা। আমরা নিয়মিত এমন ঘটনা পাচ্ছি, যেখানে বয়স না হওয়া সত্ত্বেও এফিডেভিট করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সবাই জানে এটা বেআইনি, তারপরও বন্ধ হচ্ছে না। এর মানে কোথাও না কোথাও নজরদারির ঘাটতি আছে। শ্যামনগরের ঘটনাতেও দেখা গেল, আগে থেকেই ঝুঁকি ছিল, লিখিত অঙ্গীকারও ছিল-তারপরও বিয়ে হয়ে গেল। এতে বোঝা যায়, প্রতিরোধ ব্যবস্থাটা কার্যকর হচ্ছে না।

তিনি যোগ করেন, স্থানীয় সরকারের কার্যকর উদ্যোগই পারে শিশু বিবাহ প্রতিরোধ করতে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগেই বিবাহ বয়সের সার্টিফিকেট সংগ্রহ ছাড়া বিবাহ রেজিস্ট্রি বন্ধ করতে হবে এবং অল্প বয়সে বিবাহ হলে সেটি বাতিল করার বিধান চালু করতে হবে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার বলেন, 'সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমরা নিয়মিত কাজ করছি এবং অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি গিয়ে বিয়ে বন্ধও করেছি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে-অনেক পরিবার গোপনে, রাতের বেলায় বা ভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করছে। কিছু ক্ষেত্রে এফিডেভিটের অপব্যবহার করে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কারণে সব ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয় না। তবে স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি আরও জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।'