...|...|...

সারাদেশ

সাজেক সমস্যা

সন্তু লারমা ও ইউপিডিএফকে নিয়ে আলোচনার আহ্বান এমপি ওয়াদুদের

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮:৫৭
Shares
সন্তু লারমা ও ইউপিডিএফকে নিয়ে আলোচনার আহ্বান এমপি ওয়াদুদের

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি। ছবি: টাইমস টুডে

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা চিরস্মরণীয় বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি। একই সাথে সাজেকের সমস্যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি ট্যুরিস্ট জোন। এখানে পর্যটন ব্যবসা বন্ধ থাকলে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই আলোচনার মাধ্যমে সাজেকের সমস্যা সমাধান করতে হবে। এ জন্য সন্তু লারমা ও ইউপিডিএফ নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত শিশু-কিশোরদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনী হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা দীপেন দেওয়ান এমপি।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, এসপিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি; সদর জোন কমান্ডার মো. একরামুল রাহাত, পিএসসি; এবং জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।

অনুষ্ঠানে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে পাহাড়ের পরিস্থিতি ছিল অশান্ত। সে সময় পাহাড়ের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এমএন লারমা ও চারুবিকাশ চাকমারা পার্বত্য এলাকার সংস্কৃতি রক্ষাসহ এ অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গেলেও তিনি তাদের দাবি পূরণ না করে উল্টো রাঙ্গামাটিতে আয়োজিত সমাবেশে হুমকি প্রদান করেছিলেন। যা পাহাড়ের মানুষ মনে রেখেছে।

আলোচনা সভা শেষে কৃতী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমাকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। তার পরিবারের সদস্যদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

পরে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শিশু-কিশোরদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।