...|...|...

জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের লড়াইয়ে ফখরুল ও অলি

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:২৪ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:২৩
Shares
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের লড়াইয়ে ফখরুল ও অলি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অলি আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর কেউই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে পূর্বঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাভুটির মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা। 

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী অলি আহমদ এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শুরুর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের (ভোটার) ভোটদানের পদ্ধতি বুঝিয়ে বলবেন। ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষর অনুযায়ী সাজানো থাকবে এবং নামের পাশে নির্ধারিত ফাঁকা স্থানে স্বাক্ষর করে ভোটাররা নিজেদের রায় প্রদান করবেন।

সংরক্ষিত নারী আসনসহ সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০ হলেও আদালতের নির্দেশে এক সংসদ সদস্যের পদ বাতিল হওয়ায় এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে না পারায় এবং সংসদে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও দুজন প্রার্থী মাঠে থাকায় নিয়ম অনুযায়ী এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯৯১ সালের পর থেকে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণত একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঐতিহ্য থাকলেও, এবারের নির্বাচনটি একটি ব্যতিক্রমী ও ঐতিহাসিক আয়োজনে রূপ নিয়েছে।