...|...|...

অর্থনীতি

রমজানের আগেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩৯
Shares
রমজানের আগেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

ছবি: সংগৃহীত

রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সাথে খেজুর আমদানিতে শুল্ক ছাড় চেয়েছেন আমদানিকারকেরা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। খেজুরের শুল্ক ছাড়ের বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাথে আলোচনা করা হবে।

আমদানিকারকদের দাবি, খেজুর আমদানিতে বর্তমানে প্রায় ৫৫ শতাংশ শুল্ক ও কর দিতে হয়। উচ্চ শুল্কায়নমূল্য ও পরিবহন ব্যয়ের কারণে আমদানি খরচও বাড়ছে। তারা প্রকৃত মান ও দামের ভিত্তিতে শুল্ক নির্ধারণ এবং ফল আমদানিতে নমনীয় করব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। এ সময়ে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, চিনি ৬ লাখ ৮৭ হাজার টন, ছোলা ৮২ হাজার টন, মসুর ডাল ১ লাখ ২২ হাজার টন এবং খেজুর ১১ হাজার টন।

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা রমজানে ছোলা ও মসুর ডালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস দেন। তবে বড় ব্যবসায়ীদের কারণে ছোট ডাল মিলগুলো সমস্যায় পড়ছে বলে অভিযোগ করেন বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী নেসার উদ্দিন।

পোল্ট্রি খাতের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে ডিম ও মুরগির উৎপাদন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। রমজানে বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের আগাম আমদানি ও বাজারজাতকরণের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা এবং বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, এনবিআর, টিসিবি, এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।