ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে আকস্মিকভাবে দেশ ছেড়েছেন ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বোলসোনারো। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পাসপোর্টের নিষেধাজ্ঞা পাশ কাটিয়ে অত্যন্ত নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ পাড়ি দিয়ে শেষ পর্যন্ত মায়ামিতে গিয়ে পৌঁছান।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত রানঅফ নির্বাচনে বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হন বোলসোনারো।
তবে পরাজয় মেনে না নিয়ে তিনি ভোটগ্রহণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়টিকে ‘চক্রান্ত’ বলে অভিযোগ তোলেন এবং নির্বাচনের ফল বাতিলের দাবি জানান।
এর আগে অর্থপাচার সংক্রান্ত একটি তদন্তের অংশ হিসেবে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট ফ্লাভিওকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার পাসপোর্ট পুলিশের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি পাসপোর্ট জমা দেননি। এরপর ফেডারেল পুলিশ তার পাসপোর্টগুলো বাতিল ঘোষণা করে।
কূটনৈতিক ও সীমান্ত সূত্র জানায়, আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডর হয়ে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে করে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে পৌঁছান। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বোলসোনারো ও তার পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে ভিসা মঞ্জুর করা হয়েছে।
এদিকে ফ্লাভিওর এই দেশত্যাগকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা।

