মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে ইরানের অপরিশোধিত তেল রফতানি প্রায় থমকে গেলেও সীমিত পরিসরে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও জেট জ্বালানি রফতানি অব্যাহত রেখেছে দেশটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাহাজ চলাচলসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের প্রায় ৪১ লাখ ব্যারেল এলপিজি বহনকারী অন্তত আটটি ট্যাংকার ওমান উপসাগর ছেড়ে গেছে। এ ছাড়া গত সেপ্টেম্বরে ইরানের একটি ট্যাংকার মিয়ানমারে জেট জ্বালানি সরবরাহ করেছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ওমানের উপকূলসংলগ্ন উপসাগরীয় অঞ্চলে অন্যান্য জ্বালানি উৎপাদক দেশের জাহাজগুলোর মধ্যে পণ্য স্থানান্তরের আড়ালে ইরানের চালান পরিবহন করা হয়েছে। এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে জ্বালানি স্থানান্তরের এ পদ্ধতিতে পণ্যের প্রকৃত উৎস আড়াল করা সম্ভব হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলপিজিবাহী অধিকাংশ জাহাজ মালয়েশিয়ার দিকে গেছে। সেখানে জ্বালানি অন্য জাহাজে স্থানান্তরের পর চীনে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব চালানের সম্ভাব্য চূড়ান্ত গন্তব্য হিসেবে চীনকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মার্কিন অবরোধের মধ্যেও বিকল্প সমুদ্রপথ ও জাহাজে জ্বালানি স্থানান্তরের মাধ্যমে রফতানি চালিয়ে যাওয়ার এই প্রচেষ্টা ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর অবরোধের প্রভাব এবং তা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।


