বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও তা সঠিক নয়। তিনি আগের চেয়ে ভালো আছেন এবং রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। নামের মিলের কারণে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন ব্যক্তিগত সহকারী মোকছেদুর রহমান আবির।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ব্যক্তিগত সহকারী।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি নামের বিভ্রান্তির কারণে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও ভুলবশত তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়।
ব্যক্তিগত সহকারী মোকছেদুর রহমান আবির জানান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার জুনিয়র আইনজীবী রফিকুল হোসেন রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দুজনের নামের মিল থাকায় ভুলবশত বর্ষীয়ান বিএনপি নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও জানান, প্রয়াত আইনজীবী রফিকুল হোসেনের দাফন মিরপুরে সম্পন্ন হবে।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আবির বলেন, ‘স্যার আগের চেয়ে ভালো আছেন। তবে বার্ধক্যজনিত বেশ কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। তাকে নিয়মিত এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।’
তিনি জানান, যাতায়াতের সুবিধার জন্য তারা ধানমন্ডির বাসা ছেড়ে এভারকেয়ার হাসপাতালের কাছাকাছি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বাসা নিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাবেক এই মন্ত্রী এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক জিয়াউল হকের অধীনে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার অসুস্থতার খবর জানার পর গত ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তাঁর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির (বিটু) হাসপাতালে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২ মার্চ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার স্ত্রী অধ্যাপক ড. শাহিদা রফিক মারা যান। এরপর থেকে শারীরিক নানা জটিলতার কারণে তিনি অনেকটা নিভৃতে জীবনযাপন করছেন।


