...|...|...

জাতীয়

বঙ্গোপসাগরের ২৬ ব্লকে বিদেশি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:৫৮ | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৩
Shares
বঙ্গোপসাগরের ২৬ ব্লকে বিদেশি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। পুরানো ছবি

বঙ্গোপসাগরের অনাবিষ্কৃত হাইড্রোকার্বন সম্ভাবনা এবং অফশোর মডেল প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৬-এর প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্যিক শর্ত তুলে ধরে আন্তর্জাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬-এ অংশ নিতে কোম্পানিগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) লন্ডনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এনার্জিজ সামিটের স্ট্র্যাটেজিক স্টেজে মন্ত্রী পর্যায়ের এক অধিবেশনে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

চলমান বিডিং রাউন্ডে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ২৬টি অফশোর ব্লক উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি অগভীর পানির এবং ১৫টি গভীর পানির ব্লক।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত অধিবেশনে দেশের বাড়তে থাকা জ্বালানি চাহিদার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের ফলে জ্বালানির চাহিদা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশীয় গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে চলমান বিডিং রাউন্ডে অংশ নিতে আহ্বান জানান।

সম্মেলনে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি সামগ্রিক চিত্র উপস্থাপন করেন। এতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ প্রবাহ এবং বিদেশি বিনিয়োগ সহজ করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উঠে আসে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল বঙ্গোপসাগরের অনাবিষ্কৃত অফশোর সম্ভাবনা, আধুনিক সিসমিক তথ্যের প্রাপ্যতা এবং অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬-এর বাণিজ্যিক শর্তগুলো তুলে ধরে। বিডিং রাউন্ডে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোম্পানিগুলোকে দেশের ভূতাত্ত্বিক ও সিসমিক তথ্য খতিয়ে দেখতে বলা হয়।

আগ্রহী কোম্পানিগুলোকে আরও তথ্যের জন্য সরাসরি সরকার ও পেট্রোবাংলার সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে অফশোর অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে জোর দিচ্ছে সরকার।