...|...|...

তথ্যপ্রযুক্তি

ফেসবুকে আয় ও রিচ বাড়াতে কেমন কনটেন্ট তৈরি করবেন

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, রাত ১০:০০ | আপডেট: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:১৮
Shares
ফেসবুকে আয় ও রিচ বাড়াতে কেমন কনটেন্ট তৈরি করবেন

ছবি : এআই জেনারেটেড।

ফেসবুকে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য বড় পরিবর্তন এসেছে। প্ল্যাটফর্মটি এখন মৌলিক বা অরিজিনাল কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই নয়, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও অবদান কতটা রয়েছে-সেটিও বিবেচনা করছে ফেসবুক।

ফেসবুকের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, নিজের তৈরি কনটেন্ট, নিজস্ব উপস্থাপনা ও নতুন মূল্য সংযোজন করা কনটেন্ট বেশি প্রাধান্য পাবে। ফলে আয় ও রিচ বাড়াতে নির্মাতাদের কনটেন্ট তৈরির ধরনেও পরিবর্তন আনতে হবে।

নিজের তৈরি কনটেন্টে গুরুত্ব বেশি

নিজের ধারণ করা ভিডিও, নিজের পরিকল্পনায় তৈরি কনটেন্ট, নিজস্ব কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা ভিডিওকে অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয় নিয়ে নিজে গবেষণা করে তথ্য দেওয়া বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা যুক্ত করলেও কনটেন্টের মান বাড়ে।

অন্যের কনটেন্টে যোগ করতে হবে নতুন মূল্য

অন্যের ভিডিও বা ফুটেজ ব্যবহার করলেই সেটি অরিজিনাল হয়ে যায় না। তবে সেই কনটেন্টের সাথে নিজের বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা, তথ্য বা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করলে তা দর্শকের জন্য নতুন মূল্য তৈরি করতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, কোনো ঘটনার ভিডিও ব্যবহার করে শুধু দেখানো নয়; বরং ঘটনাটির কারণ, প্রভাব বা প্রাসঙ্গিক তথ্য তুলে ধরলে সেটি আলাদা মাত্রা পায়।

সামান্য এডিটে অরিজিনাল হয় না

অন্যের ভিডিওতে শুধু গান পরিবর্তন, ক্যাপশন যোগ, বর্ডার দেওয়া, গতি কমানো-বাড়ানো বা সামান্য সম্পাদনা করে প্রকাশ করাকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। কারণ এতে নতুন কোনো সৃজনশীল সংযোজন থাকে না।

রিঅ্যাকশন ভিডিওতে প্রয়োজন নিজস্ব বক্তব্য

রিঅ্যাকশন ভিডিও জনপ্রিয় হলেও শুধু অন্যের ভিডিও দেখে প্রতিক্রিয়া জানানো যথেষ্ট নয়। নির্মাতার নিজস্ব মতামত, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা থাকতে হবে। কোনো ঘটনা কেন গুরুত্বপূর্ণ, এর প্রভাব কী বা নতুন তথ্য কী-এসব তুলে ধরলে কনটেন্টে আলাদা মূল্য যোগ হয়।

ফেসবুকের লক্ষ্য হলো, শুধু অন্যের কনটেন্ট পুনরায় প্রকাশ নয়; বরং নির্মাতাদের নিজস্ব ভাবনা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন ও মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করা।

তাই ফেসবুকে আয় ও রিচ বাড়াতে চাইলে কপি করা কনটেন্টের পরিবর্তে নিজের পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে তৈরি মৌলিক কনটেন্টের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।