আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ ওয়ার্ল্ড কাপ অ্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এর টায়ার ‘ই’র ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। শিরোপা জিততে না পারলেও টায়ার ‘ই’-তে রানার্সআপ হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ১৮৯টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। ১৪তম মিনিটে মোইর গোলে এগিয়ে যায় তারা। চার মিনিট পর পেনেলের গোলে ব্যবধান ২-০ হলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ২৩তম মিনিটে তাকিবের গোলে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় বাংলাদেশ। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোল করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মোই।
প্রথমার্ধেই বাংলাদেশের জালে চতুর্থ গোলটি ঢোকান মোই। ৩৯তম মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ব্যবধান ৪-১ করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ গোলের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে টায়ার ‘ই’র শিরোপা জেতে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।
ফাইনালে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করলেও প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পথচলা ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই বিশ্বমঞ্চে কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ছয় দলের মধ্যে পঞ্চম হয়ে টায়ার ‘ই’-তে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। এই পর্বে একটি ম্যাচে জয় পায় দলটি। কোনো ম্যাচ জিততে না পারা ফিজি নেমে যায় টায়ার ‘এফ’-এ।
এরপর ৩২ দলের নকআউট পর্বে সেশেলসকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। শেষ ষোলোতে সিঙ্গাপুরকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে লাল-সবুজের দল। কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনিগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয় তারা। আর সেমিফাইনালে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে টায়ার ‘ই’র ফাইনালে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ।
শেষ পর্যন্ত শিরোপা হাতছাড়া হলেও নকআউট পর্বে টানা জয় এবং সেমিফাইনাল পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৫ দল।


