প্রতি লিটার ডিজেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) ৯০ টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম। এ কারণেই মূলত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়, যা আজ সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে।
এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে পূর্বে ১১৫ টাকায় বিক্রি হওয়া ডিজেল এখন বেড়ে হয়েছে ১৩৫ টাকা, ১৩৫ টাকার কেরোসিন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৫ টাকা, ১৪০ টাকার পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং ১৪৫ টাকার অকটেন বেড়ে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এবং ফ্রেইট চার্জ বা পরিবহন খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্বিগুণেরও বেশি বাড়লেও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে দেশে তা এতদিন পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি। যার ফলে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বিপিসিকে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিশাল অংকের লোকসান সহ্য করতে হয়েছে।


