...|...|...

জাতীয়

পানি-বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৪:৫৩ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৭:৫১
Shares
পানি-বর্জ্য ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মার্কিন বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে বিনিয়োগের অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি কথা বলেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী . আবদুল মঈন খান উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তবে এর ফাঁকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতি ও নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে গত ছয় মাসে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভাকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের জের ধরেই মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই আগমন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, আমাদের এখানে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা যাতে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দেশের ব্যবসায়ীদের নজরে আনবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে বৈঠকে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। সামনের দিনে দুই দেশের সরকার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ ও সহযোগিতার এসব বিষয়ে পরবর্তীতে দুই দেশের সচিব ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পর্যায়ে আরও আলোচনা হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের ধরন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি মূলত বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ (ওয়েস্ট টু এনার্জি) উৎপাদন প্রকল্প হতে পারে। আমাদের প্রতিটি সিটি করপোরেশনেই প্রচুর ময়লা-আবর্জনা ডাম্পিং অবস্থায় পড়ে আছে। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে চীনা একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে আমরা চুক্তি করেছি। তারা আগামী ১৮ থেকে ২০ মাসের মধ্যে বর্জ্য থেকে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে। সেই কাজ এখন চলমান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কোনো বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম স্পষ্ট করে বলেন, এসব বিষয় আমাদের মন্ত্রণালয়ের অধীনে পড়ে না। বাণিজ্য বা চুক্তির বিষয়গুলো পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেখবে। আমরা বৈঠকে মূলত স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করেছি।