...|...|...

ক্যাম্পাস

পরিবেশ রক্ষায় তিতুমীর কলেজ রোভার স্কাউটের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

তিতুমীর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৫১ | আপডেট: ২৮ আগস্ট ২০২৬, রাত ১১:৪৪
Shares
পরিবেশ রক্ষায় তিতুমীর কলেজ রোভার স্কাউটের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

সরকারি তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা বৃক্ষরোপণ করছেন। ছবি : টাইমস টুডে

‘গাছ লাগাই, পরিবেশ বাঁচাই, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ দেশ গড়ুন’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে সরকারি তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে তিতুমীর কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন আহমদ।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এম এম আতিকুজ্জামান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, স্কাউট নেতৃবৃন্দ ও রোভার স্কাউট সদস্যরা।

কর্মসূচি সম্পর্কে তিতুমীর কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভারমেট তামিম হোসাইন বলেন, ‘বাংলাদেশ স্কাউটের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা জেলার অনুমোদনক্রমে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক, রোভার স্কাউট নেতা, সদস্য ও সহচরদের অংশগ্রহণে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকের রোপণ করা গাছগুলো ভবিষ্যতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং মানুষের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবে।’

অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শুধু পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। বৃক্ষরোপণ পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের বনাঞ্চলের ঘাটতি পূরণে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার অংশ হিসেবে তিতুমীর কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের এই আয়োজন প্রশংসনীয়। রোভার স্কাউটরা সবসময় সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসে। তাদের এই উদ্যোগ পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।’

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সৌরভ সাহা বলেন, ‘গাছ পরিবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। অক্সিজেন সরবরাহ, ফল ও ফুলের মাধ্যমে গাছ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করবে।

সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, এই বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ ক্যাম্পাসকে আরও সবুজ ও নান্দনিক করার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।