সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও ৮৩ জন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় তারা নিয়োগ পাননি। অন্যদিকে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও ১ হাজার ৪৭১ জন প্রার্থী চাকরিতে যোগদান করেননি।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধিদফতরের তথ্যমতে, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫’-এর দুই ধাপে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে মোট ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি আবেদন জমা পড়েছিল। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনের মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়।
পরবর্তীতে কয়েক ধাপে জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করা হলে ১৩ হাজার ৮৩১ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন এবং ৫৫৩ জন জমা দেননি। কাগজপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র হাতে পেলেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন ১২ হাজার ৮৩০ জন। ফলে নিয়োগপত্র পেয়েও যোগদান না করা ৯১৮ জন এবং কাগজপত্র জমা না দেওয়া ৫৫৩ জন মিলে মোট ১ হাজার ৪৭১টি পদ ফাঁকা রয়ে গেছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম বলেন, ‘অনেকে কাগজপত্র জমা দেননি বা নিয়োগপত্র পেয়েও যোগ দেননি। হয়তো অন্যত্র ভালো চাকরি পাওয়ায় তারা এ সুযোগ নেননি। তবে এত বড় নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার পর একসাথে এতসংখ্যক পদ ফাঁকা থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হবে।’
তিনি আরও জানান, উদ্ভূত সংকট নিরসনে দ্রুতই নতুন আরেকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

