আগামী নভেম্বরে ভারতের রাজধানী দিল্লি সফরে যেতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস নাউ এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, চলতি বছরের নভেম্বর মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে তারেক রহমানের এই সম্ভাব্য সফরের বিষয়ে উভয় দেশই আলোচনা পুনরায় শুরু করেছে। বিশেষ করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী এই সফরের বিষয়ে বাংলাদেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারেক রহমানের এই সফরের সময় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তার বাংলাদেশি প্রতিপক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে ভারতের সীমান্ত সংক্রান্ত উদ্বেগ, অবৈধ অভিবাসীসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। এছাড়া দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য এবং গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের, তবে শেষ পর্যন্ত তার সেই সফর বাতিল করা হয়। চলতি মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন যে, পারস্পরিক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ ভারতের সাথে তার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘রিসেট’ বা নতুন সূচনা করতে চায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকেই নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার সম্পর্কে টানাপোড়েন বজায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এর আগে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর মন্তব্য করেছিলেন যে, ভারতের প্রতি তথাকথিত ‘অতিরিক্ত ব্যস্ততা’ বা মোহ কাটিয়ে বাংলাদেশের একটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ভারত প্রীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভারত কেবল আরেকটি দেশ এবং বাংলাদেশ এর সাথে ভালো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক চায়।


