...|...|...

সারাদেশ

জয়পুরহাটে সৌরবিদ্যুৎচালিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৫:০৭ | আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১:৪৮
Shares
জয়পুরহাটে সৌরবিদ্যুৎচালিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু

উৎপাদনের পর কৃষিপণ্য সংরক্ষণে কৃষকদের ভোগান্তি ও পচনশীল পণ্যের অপচয় কমাতে জয়পুরহাটের কালাইয়ে চালু হয়েছে সৌরবিদ্যুৎচালিত ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে কালাই হাটে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কোল্ড স্টোরেজের উদ্বোধন করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় স্থাপিত এ স্থাপনাটি ‘হাইব্রিড সোলার অপারেটেড’ প্রযুক্তিতে পরিচালিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জয়পুরহাটের উপপরিচালক মনজু আলম সরকার, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সী, ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী, আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন এবং কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনূর রশিদ।

এ ছাড়া কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মৌদুদ আলম সরকারসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিস সূত্র জানায়, সংরক্ষণের ব্যবস্থা সীমিত থাকায় উৎপাদনের পর অনেক কৃষক দ্রুত পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হন। বিশেষ করে শাকসবজি ও অন্যান্য পচনশীল কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারজাত করা না গেলে নষ্ট হয়ে যায়। এতে একদিকে কৃষকের লোকসান হয়, অন্যদিকে ভালো দাম পাওয়ার সুযোগও কমে যায়।

মিনি কোল্ড স্টোরেজটি চালু হওয়ায় কৃষকরা এখন প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল কিছুদিন সংরক্ষণ করে পরে বাজারে তুলতে পারবেন। ফলে পণ্যের অপচয় কমার পাশাপাশি বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।

কৃষকদের জন্য সংরক্ষণ সুবিধা তৈরির এ উদ্যোগে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়েছে। ১৫ থেকে ২০ জন কৃষক একত্র হয়ে কোল্ড স্টোরেজটি পরিচালনা করবেন।

কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনূর রশিদ বলেন, ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ বর্তমান সরকারের একটি প্রণোদনা কার্যক্রমের অংশ। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কৃষকরা যাতে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের ন্যায্যমূল্য পান, তা নিশ্চিত করা। কৃষকরা পণ্যভেদে দুই দিন থেকে শুরু করে এক মাস পর্যন্ত এখানে শাকসবজি ও ফলমূল সংরক্ষণ করতে পারবেন। পরে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করে তারা ন্যায্যমূল্য পাবেন।