...|...|...

সারাদেশ

জুলাই বিপ্লবের সাথে গাদ্দারি করলে ক্ষমতায় থাকার অধিকার থাকবে না: মামুনুল হক

সিলেট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, রাত ১১:২৮ | আপডেট: ২৪ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:০৬
Shares
জুলাই বিপ্লবের সাথে গাদ্দারি করলে ক্ষমতায় থাকার অধিকার থাকবে না: মামুনুল হক

মাওলানা মামুনুল হক। ছবি: টাইমস টুডে

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার সরকারের থাকবে না।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে সিলেটে ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ফ্যাসিবাদী আমলের খুনিদের বিচার ত্বরান্বিত করা এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মামুনুল হক বলেন, যে জুলাই বিপ্লবের ভিত্তিতে ক্ষমতার মসনদে বসেছেন, সেই বিপ্লবের সাথে বেইমানি করলে ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার থাকবে না। তিনি বলেন, ‘দোহাই লাগে, আপনাদের প্রথমে পায়ে ধরে বলব, তারপর হাতে ধরে বলব। যদি পায়ে ধরে-হাতে ধরে বললে কথা না শোনেন, ঘাড় ধরতে আমাদের এতটুকু হাত কাঁপবে না।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণভোটের রায় মেনে নিয়ে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। তা না হলে রাজপথে সরকারকে মোকাবিলা করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

গণভোটের রায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে তার পরিণতি নিয়ে ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেন মামুনুল হক।

তিনি বলেন, ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনের রায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল পশ্চিম পাকিস্তানিরা, যার পরিণামে তাদের মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়েছিল এবং বাংলার মানুষ স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৭০ শতাংশ মানুষের ম্যান্ডেটের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার এই ধারা অব্যাহত রাখলে সরকারের পরিণতিও পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও শেখ হাসিনার চেয়ে ভিন্ন হবে না।

সংসদ নির্বাচনে ৫০ শতাংশ এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের ভোট প্রদানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রসাথে মামুনুল হক বলেন, শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তির রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় থাকার বিষয়ে তারা আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি যখন ছোবল মারতে উদ্যত হয়েছিলেন, তখন স্পিকারকে ২৪ ঘণ্টার নোটিশে হাসপাতাল থেকে ডেকে এনে তাকে বিদায় করা হয়।