ইরানের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সদস্যদেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও ৬৬টি দেশ। ২০২৫ সালে ইরানের ওপর জাতিসংঘের ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরুর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি মেনে চলা এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাথে স্বচ্ছতা বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়। অবশ্য তেহরান শুরু থেকেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সব ধরনের পশ্চিমা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
এর আগে গত মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমেরিকা সমর্থিত একটি নজরদারি প্রস্তাব ব্যর্থ হয় রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে। তবে বিস্তাররোধ নিরাপত্তা উদ্যোগের (পিএসআই) অংশীদার ৬৬টি দেশকে সাথে নিয়ে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা জোরদারের চাপ অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে সৌদি আরবের সাথে বহুল আলোচিত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আগামী ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে মার্কিন সিনেটে ভোটাভুটি হতে পারে। মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটর জেফ মার্কলি জানান, এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক প্রতিযোগিতার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে কি না, সিনেট তা গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে।
গত জুলাইয়ে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে চুক্তিটির খসড়া চূড়ান্ত হলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শর্ত দিয়েছেন—এই সুযোগ পেতে সৌদি আরবকে আগে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। সার্বিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও পারমাণবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে তীব্র আলোচনা চলছে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে।


