চতুর্থ দফায় ফের খোলা হয়েছে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে জেলা প্রশাসক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে মাজারের দানবাক্স খোলা হয়।
এ সময় মাজারের ডেগ ও দানবাক্স থেকে মোট ৪ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। পরে টাকাগুলো মাজার প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় বর্তমানে গণনা চলছে।
এ সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন টাইমস টুডেকে জানান, বর্তমানে টাকাগুলো মাজারের নামে খোলা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হচ্ছে।
মাজারের টাকা ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, বর্তমানে টাকাগুলো ব্যাংকে রাখা হচ্ছে। কমিটি যখন সিদ্ধান্ত দেবে, তখন আমরা ব্যয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব। তবে বর্তমানে এখানে যারা আনসার আছেন, শুধু তাদের এখান থেকে বেতন দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে তিন দফায় মাজারের দানবাক্স ও মানতের ডেগ খুলে অর্থ গণনা করা হয়। প্রথম দফায় গত ২২ জুন দানবাক্স থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। এর সাথে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার একটি চেক যুক্ত করা হলে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এ সময় স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাও পাওয়া যায়।
এর ১৯ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হয়। তখন নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া যায়। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, স্বর্ণ ও রৌপ্য সামগ্রীও পাওয়া যায়।
সবশেষ গত ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্স ও মানতের ডেগ খোলা হয়। ওই দফায় নগদ ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া যায়। তখনো দেশি-বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি স্বর্ণ ও রৌপ্যের অলংকার পাওয়া যায়।
তিন দফায় পাওয়া অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৪০ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। এসব অর্থ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়েছে।



