...|...|...

জাতীয়

রাজধানীর ত্রুটিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রাজউক চেয়ারম্যান

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৮ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৫:৫০ | আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩৬
Shares
রাজধানীর ত্রুটিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রাজউক চেয়ারম্যান

ছবি: সংগৃহীত

ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে রাজধানীর ভবনগুলোর ত্রুটি চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার পেছনে শুধু ভবনের উচ্চতা দায়ী নয়। ত্রুটিপূর্ণ নকশা, মাটির অবস্থা এবং নির্মাণে অনিয়মও বড় কারণ। তাই ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা, মাটি পরীক্ষা ও প্রকৌশলগত মান নিশ্চিত করা জরুরি।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুরা) আয়োজিত ‘ভূমিকম্প ঝুঁকিতে দেশ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রাজউক চেয়ারম্যান।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী হাসান আনসারী।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, রাজধানীতে বিপুলসংখ্যক ভবন রয়েছে। একসাথে সব ভবনের ঝুঁকি নিরূপণ করা সম্ভব নয়। এ কারণে ধাপে ধাপে র‍্যাপিড ভিজ্যুয়াল অ্যাসেসমেন্ট, প্রিলিমিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট এবং ডিটেইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসেসমেন্ট করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ভূমিকম্প মোকাবিলায় রাজউকের সক্ষমতা বাড়াতে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমিকম্পের আগে ঝুঁকি নিরূপণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর দায়িত্ব শুধু রাজউকের নয়। সিটি করপোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, একটি কার্যকর সিটি গভর্নমেন্ট ব্যবস্থা থাকলে নগর ব্যবস্থাপনার কাজ আরও সহজ ও সমন্বিতভাবে করা সম্ভব।

ভবন নির্মাণে অনিয়মের বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, অনুমোদিত ছয়তলা ভবনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১০ তলা করা কিংবা নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও আইনি যাচাই ছাড়া কোনো অনুমোদন দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, ভবনের নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি ও প্রকৌশলীদেরও নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। শুধু নকশায় স্বাক্ষর নয়, নির্মাণকাজের বাস্তবায়ন ও তদারকিতেও তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।