...|...|...

প্রবাস

মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের জন্য সুখবর, ন্যূনতম বেতন ২ হাজার রিঙ্গিতের ঘোষণা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১:৩০
Shares
মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের জন্য সুখবর, ন্যূনতম বেতন ২ হাজার রিঙ্গিতের ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মাসিক বেতন ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার রিঙ্গিত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রস্তাবিত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশটিতে কর্মরত বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের বিপুলসংখ্যক বিদেশি কর্মীও এর আওতায় আসতে পারেন। তবে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের জন্য ছাড় রাখার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মালয়েশিয়ার ২০২৭ সালের বাজেটের অংশ হিসেবে ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো ২০২৭ সালের জুন থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে দেশটির প্রায় ৪০ লাখ কর্মী উপকৃত হতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা রয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বিক্রির পরিমাণ ৫ কোটি রিঙ্গিতের কম, সেগুলোকে আপাতত নতুন বেতন বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী আর. রামানন শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জানিয়েছেন, বিভিন্ন পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে উপযুক্ত মূল বেতন নির্ধারণের জন্য একটি নির্দেশিকা তৈরির কাজ চলছে।

‘মালয়েশিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ক্লাসিফিকেশন অব অকুপেশনস’ (এমএএসসিও) অনুসরণ করে এ নির্দেশিকা তৈরি করা হবে। এতে উচ্চশিক্ষিত স্নাতকদের পাশাপাশি আধা-দক্ষ ও কারিগরি পেশায় নিয়োজিত কর্মীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।

বিশেষ করে কারিগরি সনদধারী এবং এমএএসসিওর লেভেল ১ ও ২-এর আওতাভুক্ত কর্মীদের দক্ষতা অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত কর্মীদের জন্য আরও সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

কর্মীদের বেতনসংক্রান্ত অনিয়ম কমানো এবং শ্রম আইন বাস্তবায়ন জোরদার করতে ‘ই-ওয়েজ’ নামে একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয় কর্মীদের পাশাপাশি বিদেশি কর্মীদেরও নির্ধারিত সময়ে সঠিক হারে মূল বেতন পরিশোধ হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় বেতন পরামর্শক পরিষদ আইন ২০১১’ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।