ইরানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়বে বলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আইআরআইবির প্রকাশিত প্রতিবেদনে গালিবাফের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে যদি ইরান তেল রপ্তানি করতে না পারে, তবে এ অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন পদক্ষেপের জবাবে তিনি বলেন, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ কিংবা আকাশপথ বন্ধ করে চাপ সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে। যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশ কোনো ‘দুঃসাহসিক পদক্ষেপ’ নিলে তার দ্রুত ও কঠোর জবাব দেবে তেহরান।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি পৃথক এক বিবৃতিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঠেকানো নয়, বরং দেশটির সম্পদ লুটপাট করা ও ভূখণ্ডকে বিভক্ত করা।
মার্কিন জনগণের উদ্দেশ্যে পাঠানো আইআরজিসির সাম্প্রতিক এক চিঠির বিষয়টি টেনে মোহেবি বলেন, মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলা তাদের উদ্দেশ্য নয়, বরং ওয়াশিংটনের প্রকৃত ঔপনিবেশিক রূপ উন্মোচন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বিশ্বও ভালোভাবেই অবগত যে ইরান কোনো পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।


